ইরফানের ভালোবাসা এমনই হয়

Comments are closed

দেশের প্রায় ৭০ টি হলে মুক্তি পেল অভিনেত্রী তানিয়া আহমেদ পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র “ভালোবাসা এমনই হয়”। যেখানে ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন লাক্স তারকা বিদ্যা সিনহা মিম ও ইমামী ফেয়ার হ্যান্ডসাম সিজন ওয়ানের বিজয়ী ইরফান সাজ্জাদ। ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত ছবিটিতে  আরোও অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় নাট্য অভিনেতা তারিক আনাম খান,মীর সাব্বির ও মিশু সাব্বির। ছবিটি পরিবশনা করছে জাজ মাল্টিমিডিয়া। ছবিটির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে রেডিও ধ্বনির সাথে কথোপকোথনে অংশ নিয়েছিলেন নায়ক ইরফান সাজ্জাদ।

বিনোদনবিভাগ

সাক্ষাতকারটি নিয়েছেন জাকিয়া হিমু

কেমন আছেন?

এইতো ভালো আছি। আমার প্রথম সাইন করা চলচ্চিত্র মুক্তি পেল,এ নিয়ে একটু উৎসাহী।

ছবি প্রসঙ্গে আসি,ছবির নাম ভালোবাসা এমনই হয়,কাজ করতে গিয়ে ছবির নাম ও গল্পের সাথে মিল পেলেন কতটা?

আসলে আমরা যখন শুট্যিং শুরু করি,তখন এর নাম ছিল গুড মর্নিং লন্ডন।এরপর যখন আমরা সব কাজ শেষ করি,তখন সবার মনে হলো,যেহেতু এটা বাংলা চলচ্চিত্র,তাই এর নামটা্ও বাংলা হ্ওয়া উচিত। এরপর গল্পের প্রেক্ষাপটের সাথে মিল রেখে নাম রাখা হল ভালোবাসা এমনই হয়।

ইউটিউবে প্রকাশিত ট্রেলারে,দর্শক গল্প সম্পর্কে কিছুটা গতানুগতিক ধারনা পাচ্ছে,যেমন আপনি বিদেশ যাচ্ছেন চাকরীর জন্য ,সেখানে মিম এর সাথে দেখা,প্রেম পরিণয়-আর আপনাদের মাঝে মিশু সাব্বির ও মীর সাব্বির এসে যাচ্ছে-আসলে ঠিক এমনটাই?

কথাটা শুনেই ভালো লাগছে ,কারন দর্শক ভাবছে ছবিটা নিয়ে,যোগসূত্র মিলাচ্ছে । যেটা অবশ্যই ছবির জন্য পজিটিভ। তবে দর্শক যেটা ভাবছে একেবারেই তার ভিন্ন এক গল্প নিয়ে ছবিটি। তবে এখানে একটা ধারনার মিল আছে,সেটা হলো সবার গল্পগুলো শেষে এসে মিলে যাবে। আর বাকিটা  হলে গিয়ে দেখলেই বুঝতে পারবেন।

এই ছবিতে  নাটজগতের  জনপ্রিয় অভিনেতারা কাজ করেছে, আপনি নিজে্ও টিভি নাটকের পরিচিত মুখ-সেক্ষেত্রে একেবারে বানিজ্যিক চলচ্চিত্রের দর্শকদের কাছে গ্রহনযোগ্যতা নিয়ে কতটুকু আশাবাদী?

শুরুতেই তানিয়া আপুর কথা বলব,তিনি অসাধারন কাজ করেছেন। আর তারিক আানাম খান,মিশু সাব্বির ,মীর সাব্বির তারা ‍খুব শক্তিশালী অভিনেতা। তাদের অভিনয় প্রতিভা সম্পর্কে সবাই জানে। সেক্ষেত্রে নাটক আর চলচ্চিত্র যাই হোক,এখনকার দর্শক অভিনয় দক্ষতা সম্পর্কে বেশ ভালা জ্ঞান রাখে। তাদের বোকা বানানো সহজ নয়। যদি গল্প,নির্মান আর অভিনয় ভালো হয় তাহলে অবশ্যই ছবিটি সফল হবে। আমি মনে করি ,দর্শক ছবিটি দেখে আশাহত হবে না।

নাট্যনির্মাতারা যখন চলচ্চিত্র তৈরী করে,তখন সেসব চলচ্চিত্রগুলোকে একটি দীর্ঘ টেলিফিল্ম হিসেবে অ্যাখা দেয়া হয়-এমন সমালোচনা কীভাবে দেখেন?

সমালোচনা থাকেই। আমি সেটা ইতিবাচকভাবেই নেই। তবে একটা আক্ষেপ থাকে। এমন অনেকেই আছে যারা ছবি না দেখে,স্রোতে গা ভাসিয়ে সমালোচনা করেন। আমি বলি কী,সবকিছ মিলিয়ে এই বাংলা চলচ্চিত্র জগতটা আমাদের। দুই ভাগে ভাগ না হয়ে সবার একত্রে কাজ করতে হবে। কাদা ছুড়োছুড়ি বন্ধ করতে হবে। আর দর্শককে উৎসাহ দিতে হবে হলে আসার জন্য। তাহলেই এই ইন্ড্রাস্ট্রির উন্নয়ন হবে।

দর্শকের উদ্দেশ্য কী বলবেন?

দর্শকদের বলব,আপনারা সবাই হলে যান,বাংলা ছবি দেখুন। আপনারা যদি হলে আসেন,তবেই বিগ বাজেট আর ভালো চলচ্চিত্র নির্মানে সংশ্লিষ্টরা উৎসাহী হবে।

Comments are closed.

Web Design BangladeshWeb Design BangladeshMymensingh