কারা কো-অর্ডিনেশন সেল চান আইনজীবীরা

Comments are closed

অপরাধের বিভিন্ন মামলায় অনেক আসামী বছরের পর বছর কারাদন্ড ভোগ করছেন। দন্ডপাওয়া  এসব আসামীদের সঙ্গে দেখাই করেন না পরিবারের সদস্যরা। আইনি জটিলতার মার-প্যাচ না বোঝার কারণে সহায়তা পাওয়া খুবই দূরুহ ব্যাপার। পাশাপাশি জঙ্গি অপরাধীদের ক্ষেত্রে আইন সহায়তাকারি সংস্থার যথাযথ নজরদারিও নেই বলে দাবি করেছেন অনেকেই। তাই  আদালত ও জেল কর্তৃপক্ষের সমন্বয় করতে কো-অর্ডিনেশন সেল প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন আইনজীবীরা।

কারাগার অর্থ হলো জেলখানা। যে স্থানে স্থায়ী বা সাময়িকভাবে সরকারের সাধারন বা বিশেষ আদেশে বন্দীদের আটক করে রাখা হয়।  কোন কোন সময় এটি সংশোধনাগার হিসেবেও ব্যবহার করে সরকার।  সারাদেশে বর্তমানে ৬৮টি কারাগার রয়েছে। এসব কারাগারে মোট বন্দির সংখ্যা  প্রায় ৭০ হাজার ৫৮৪ জন।

দেশের এসব কারাগারে এমন অনেক আসামী আছেন যাদের সঙ্গে বছরেও দেখা করেন না তাদের আপনজনরা।  এসব আসামীদের পরিবারের সদস্যরা জানেন ই না, কিভাবে আদালতের দারস্ত হতে হয়? কিভাবে চাইতে হয় কারামুক্তি? এমন অনেক প্রশ্ন  তৈরি হলেও সঠিক উত্তর তাদের জানা নেই।  বিভিন্ন  সময় আইন সহায়তাকারি সংস্থা জেল পরিদর্শন করলেও সমন্বয়হীনতা কারণে অনেক সমস্যারই সমাধান হয় না। আসামীর সব দায়ভার নিতে হয় কারা কর্তৃপক্ষকেই- বলছিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যরিস্টার শফিক আহমেদ।

পাশাপাশি এ ব্যপারে একটি কো-অরডিনেশন সেল থাকা প্রয়োজন বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি। প্রতিদিন কি পরিমান আসামী গ্রেফতার হচ্ছে? কোন আদালতে তাদের বিচার করা হচ্ছে? কোন কোন অপরাধে জেল দেয়া হচেছ? তার সুনির্দিষ্ট তথ্য আদালতে সরবরাহ করা হচ্ছে কিনা-এমন অনেক প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট উত্তর জানেন না খোদ এ্যাটর্নী জেনারেল খন্দাকর মাহবুবে আলমও। তিনি বলছেন, তথ্য সরবরাহের ক্ষেত্র ডিজিটাল পদ্ধতির প্রবর্তন করা ছাড়া কোন বিকল্প নেই। কথা বলেন জঙ্গি অপরাধীদের নিয়েও।

পদ্ধতি যাই থাক না কেন, কারাভোগকালীন সময়ে নিয়ম কানুন মেনেই আইনি সহায়তা চান কারাবন্দীরা।

Comments are closed.

Web Design BangladeshWeb Design BangladeshMymensingh