কেবল যশোর থেকেই নিখোঁজ ১৬

Comments are closed

নিখোঁজ ৭০ জনের নাম-পরিচয় উল্লেখ করে তালিকা প্রকাশ করেছে র‍্যাব।  এদের মধ্যে কেবল যশোর থেকেই নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ১৬ জন।  নিখোঁজদের মধ্যে একজন বাদে অন্যদের কারোরই তিন বছর ধরে পরিবারের সাথে কোনো যোগাযোগ নেই। তবে পুলিশ বলছে নিখোঁজদের সন্দেহের তালিকায় রেখে অনুসন্ধান চলছে।

 যশোরের মণিরামপুর উপজেলার মশ্মিমনগর ইউনিয়ন।  এ ইউনিয়নের কিসমত চাকলা গ্রামের কৃষক পরিবারের সন্তান সাহারাত আলী। উচ্চ মাধ্যমিক পাশ সাহারাত আলী প্রায় তিনবছর আগে পরিবারের সবার অগোচরে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। পরের দিন ফোন দিয়ে জানায় সে পানিপথে মালয়েশিয়া যাচ্ছে। এরপর আর কখনোই ফোন দেয়নি বাড়িতে। সাহারাত আলীর যাবার ঠিক একদিন আগেই একই গ্রামের ফারুক, হাসানুর, জমির, সুমন এবং নোয়ালী গ্রামের হাসান আলী একইভাবে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে বাড়ি থেকে বের হন পানি পথে মালয়েশিয়ায় যাবার জন্য। তারপরের গল্পটা সবারই একরকম। তিন বছর ধরে তাদের ব্যাপারে কোন খোঁজ পাচ্ছেন না।

নিখোঁজ এসব যুবকের প্রতিবেশিরা জানালেন, তারা ছিলেন কর্মঠ, সদালাপী ও ভদ্র। রাজনীতি বা অপরাধের সাথে তাদের দুরত্ব ছিল অনেক।

এ ইউনিয়নে নিখোঁজ রয়েছেন আরো চারজন। তারা প্রত্যেকেই মশ্মিমনগরের বাসিন্দা। এরাও পরিবারকে না জানিয়ে পানিপথে মালয়েশিয়ায় যাবার জন্য বাড়ি ছাড়ে। এরপর আর কোনদিন তারা পরিবারের লোকজনের সাথে যোগাযোগ করেননি।

তবে পুলিশ বলছে নিখোঁজদের সন্দেহের তালিকায় রেখে অনুসন্ধান চলছে।

এসব যুবক ছাড়াও নিখোঁজের তালিকায় রয়েছেন, মশ্মিমনগর ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী ঝাঁপা ইউনিয়নের তিন যুবক। এরা হলেন, মল্লিকপুর গ্রামের ইকবাল হোসেন ও খালিয়া গ্রামের তহিদুল ইসলাম। এরাও কর্মের জন্য পানিপথে পাড়ি জমিয়েছে। বাড়ি থেকে চলে যাবার পর তাদের আর খোঁজ পাওয়া যায়নি। আরো নিখোঁজ রয়েছেন, যশোর শহরতলীর শেখহাটি বাবলাতলা এলাকার বাসিন্দা রাহাত বিন আব্দুল্লাহ। নিখোঁজদের বিষয়ে একের পর এক তালিকা প্রকাশ ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর অনুসন্ধানে কিছুটা ভীত হলেও স্বজনরা চান তাদের উদ্ধারে পদক্ষেপ গ্রহণ করুক সরকার।

Comments are closed.

Web Design BangladeshWeb Design BangladeshMymensingh