দেশে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি

Comments are closed

দেশে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় সিরাজগঞ্জ, জামালপুর কুড়িগ্রামসহ বেশ কিছু এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় বেড়েছে নদী ভাঙনের প্রকোপ।  বিপর্যস্ত  হয়ে পড়েছে নদীকূলবর্তী মানুষের জীবন।

গত ২৪ ঘন্টায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় চলমান বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। সিরাজগঞ্জ, জামালপুর কুড়িগ্রামসহ বেশ কিছু এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় বাড়ছে ভাঙনের প্রকপ। যমুনা, পদ্মার পানি বাড়ায় বিপর্যস্ত নদীকূলবর্তী মানুষের জীবন। নিরাপদ খাবার পানিসহ খাদ্যহীনতার পাশাপাশি নানা রোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যাও বাড়ছে।

টানা বর্ষণ আর উজান থেকে নেমে আসা ঢলে তিস্তার পানি বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে তিস্তা অববাহিকায় সর্বোচ্চ সর্তকতা জারি করেছে প্রশাসন। লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হওয়ায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়ে ৩০ হাজার পরিবারের লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। তিস্তা, ধরলা ও সানিয়াজানসহ সব নদীর পানি বৃদ্ধিতে প্রায় ৩০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ভাঙনের শিকার হয়েছে এক হাজারেরও বেশি পরিবার। তিস্তার তীরবর্তী মানুষকে সর্বোচ্চ সর্তকতা জারি করে মাইকিং করা হয়েছে। তিস্তা ব্যারেজের পূর্ব দিকের সংযোগ সড়কের পাশের বাসিন্দাদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে তীব্র ভাঙনের কবলে পড়েছে যমুনা পাড়ের মানুষ। টাঙাইলের ভুয়াপুর ও গোপালপুরের আট শতাধিক পরিবারের বসতভিটা এরই মধ্যে বিলিন হয়ে গেছে নদীগর্ভে। সব হারিয়ে মানবেতর দিন কাটছে সব হারাদের। তবে ভাঙ্গন ঠেকাতে প্রশাসন ব্যবস্থা নিচেছ না বলে অভিযোগ জনগনের।

ভাঙ্গন ঠেকাতে ৩ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিলেও তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না বলে জানান কর্তৃপক্ষ। তাদের অভিযোগ তাদের নেই প্রয়োজনীয় জনবল। বন্যায় বিপর্যস্ত মানুষদের রক্ষায় সরকার ইতোমধ্যেই ৫ লক্ষটাকার শুকনা খাবার বিতরণ শুরু করেছে। এছাড়া ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ও ৯০ মেট্রিকটন চালও বরাদ্দ রেখেছে।

Comments are closed.

Web Design BangladeshWeb Design BangladeshMymensingh