নতুন কমিটি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে ভূমিকা রাখবে: কেন্দ্রীয় নেতারা

Comments are closed

বিএনপির নতুন কমিটি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে ভূমিকা রাখবে এমনটা দাবি কেন্দ্রীয় নেতাদের। অথচ, নতুন কমিটি নিয়ে এরই মধ্যে দলের নেতাকর্মীদের মাঝে দেখা দিয়েছে অসন্তোষ। সঠিক মূল্যায়ন না পেয়ে, নিষ্ক্রিয় থাকার কথাও ভাবছেন কেউ কেউ। তবে, পদ পেয়েও যাদের আন্দোলন-সংগ্রামে পাওয়া যাবে না- তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দলটির সিনিয়র নেতারা।

সবশেষ ২০১০ সালে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করে বিএনপি। ২০১২ সালে সেই কমিটির মেয়াদ শেষ হয়। এরপর, কাউন্সিল না হওয়াসহ নানা কারনে দীর্ঘদিনেও গঠন করা হয়নি কমিটি।

সবশেষ চলতি বছরের ১৯ মার্চ, দলটির ষষ্ঠ কাউন্সিল হলেও সেদিন পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয় নি। প্রায় সাড়ে চারমাস পর, ৫৯৪ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করল দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাহিরে থাকা এই দলটি।

আকারে প্রায় দ্বিগুণ এই কমিটি নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কাংখিত পদ না পাওয়ায় অনেকের মধ্যেই দেখা গেছে চাপা ক্ষোভ। কেউ কেউ সরে দাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পদ থেকে। কেউ আবার, নিষ্ক্রিয় থাকার নীতি অবলম্বন করার পক্ষে।

তবে, নতুন কমিটিতে পদ পাওয়া অনেক নেতা জানিয়েছেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন তারা।

এ সব বিষয়ে কথা হয়, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের সঙ্গে। তার মতে, যোগ্যদের মূল্যায়ন করেছেন বিএনপির চেয়ারপার্সন। তবে, পদ না পাওয়া নিয়ে দু-এক জনের ক্ষোভ থাকাটাও স্বাভাবিক বলেই মনে করেন বিএনপির এই নেতা।

বিএনপির ইতিহাসে বৃহত্তর এই কমিটিতে স্থায়ী কমিটির দুই পদ এবং গুরুত্বপূর্ণ ছাত্র বিষয়ক সম্পাদকীয় পদে কাউকে মনোনয়ন না দেয়ায় পুরোপুরি অবসান ঘটেনি জল্পনার।

Comments are closed.

Web Design BangladeshWeb Design BangladeshMymensingh