পলাতক খুনিদের ফিরিয়ে এনে ফাঁসি কার্যকরের দাবি গোপালগঞ্জবাসীর

Comments are closed

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর লাশ দাফন করা হয় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়। মাত্র ১৮জন বঙ্গবন্ধুর লাশ দাফন কাফন করলেও বেঁচে আছেন মাত্র তিন-জন। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার কাজ শেষ হলেও রায় কার্যকর হয়েছে আংশিক। পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসির রায় কার্যকরের দাবী জানিয়েছেন দাফনকারীসহ গোপালগঞ্জবাসী।

১৯৭৫এর ১৫ আগস্টে জাতির পিতাকে স্বপরিবারে হত্যা করে বিপথগামী একদল সেনা সদস্য। এরপর তার লাশ নিয়ে আসা হয় গোপলগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়। দাফন করা হয় মা-বাবার কবরের পাশে। মাত্র ১৮জন বঙ্গবন্ধুর লাশ দাফন কাফন করলেও বেঁচে আছেন মাত্র তিন-জন। তারই মধ্যে একজন হলেন কাজী ইদ্রিস আলী আরেকজন আইয়ুব আলী শেখ। তারা জানান, গুলিতে ঝাঁঝরা বঙ্গবন্ধুর বুক। চশমাটি পরে ছিল ভাঙ্গা অবস্থায় মাথার পাশে। সাথে গায়ে রক্তমাখা বরফ।  লাশ আনার পর ৫৭০ সাবান দিয়ে গোসল করিয়ে রিলিফের কাপড় দিয়ে কাফন পড়িয়ে দাফন করা হয় বঙ্গবন্ধুকে।

৭৫ পরবর্তী সরকারগুলো বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার কাজ বন্ধ করে দিলেও ৯৬ সালে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এসে বিচারকাজ শুরু করে। এরই ধারাবাধিকতায় ২০০৮ সালে আবারো ক্ষমতায় এসে রায় কার্যকর করে। তবে বিদেশ পলাতক খুনিদের দেশে ফিরেয়ে এনে রায় বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে রায় কার্যকর করার দাবী গোপালগঞ্জবাসীর। পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের রায় কার্যকর করা হলে দেশ ও জাতি কলঙ্কমুক্ত হবে এমটাই মনে করেছেন বঙ্গবন্ধু পরিবারের এ সদস্য। বিদেশে পালিয় থাকা বঙ্গবন্ধুর হত্যাকীদের দ্রুত দেশে এনে ফাঁসি দিয়ে বিচারকাজ সম্পূর্ণ করার দাবি জানিয়েছেন  এলাকাবাসী।

Comments are closed.

Web Design BangladeshWeb Design BangladeshMymensingh