প্রতিযোগীতায় বিশ্বাসী নই-শুভশ্রী

Comments are closed

আজ  প্রায় একশ’টির মতো প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল যৌথ প্রযোজনার ছবি প্রেম কী বুঝিনী। ছবিটি যৌথভাবে প্রযোজনা করেছে বাংলাদেশে জাজ মাল্টিমিডিয়া ও কোলকাতার এসকে মুভিজ। যেখানে অভিনয় করেছেন কোলকাতার জনপ্রিয় নায়িকা শুভশ্রী গাঙ্গুলী ও নায়ক ওম সাহানি। ছবিটি পরিচালনা করেছেন বাংলাদেশের আবদুল আজিজ এবং কোলকাতার সুদীপ্ত সরকার ।ছবিটির প্রচারণায় সম্প্রতি ঢাকায় এসেছিলেন শুভশ্রী। সে সময় রেডিও ধ্বনির সঙ্গে সাক্ষাতকারে তিনি কথা বলেন, ছবিটির বিভিন্ন বিষয়ে।

আমি শুধু চেয়েছি তোমায় এর পর ঢাকায় আপনি দ্বিতীয়বার আসলেন, কেমন লাগছে?

শুভশ্রী: খুব ভাল। বাংলাদেশকে আমার পছন্দের জায়গা। কারন এখানকার অনেক মানুষ আমার ভক্ত,আমার ছবি দেখে। আমাকে ভালোবাসে।  যেটা আমার জন্য ভগবানের আর্শিবাদ। দ্বিতীয়বারের মতো আমার ছবি বাংলাদেশের দর্শকরা হলে এসে দেখবেন,যেটা আমার কাছে সত্যিই আনন্দের।

প্রেম কী বুঝিনী তে এমন কী আছে,যা দেখতে দর্শক হলে আসবে?

শুভশ্রী: গল্পটা হচ্ছে পারমিতা ও পৃথ্বিরাজ এই দুজন ছেলে মেয়ের মধ্যকার। ছবিটিতে পারিবারিক মূল্যবোধ আছে। তবে প্রেম কী বুঝিনীর মুল বিষয় হলো বর্তমানের তরুন তরুনীদের সম্পর্ক। একটা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে কী করা উচিত,কোনটা উচিত নয় ,সেই বিষয়গুলো দেখানো হয়েছে। ভালবাসার সম্পর্কগুলোর মধ্যে যে দ্বিধা দন্দ কাজ করে,সেটাই তুলে ধরা হবে।

ছবিতে আপনার চরিত্রটিতে কী নতুনত্ব আছে?

শুভশ্রী: ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই আমি আমার পছন্দ অনুযায়ী সিনেমায় অভিনয় করেছি।  ছবির সংখ্যার চাইতে মানের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ আমার কাছে। প্রেম কী  ‍বুঝিনী ছবিতে আমার যে চরিত্রটি ,তার নাম পারমিতা। এখানে আমার চরিত্রটা খুব আকর্ষনীয়,আত্ননির্ভরশীল ও সৎ। ছবিতে আমাকে যেমন সহজ সরল একটা বাচ্চা মেয়ের ধাচে পাবে দর্শক ,তেমনি একজন পরিপক্ক পারমিতাকেও দেখতে পারবে।

সহশিল্পী হিসেবে ওমের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতাটা কেমন ছিল?

শুভশ্রী: নতুন হিরোদের সাথে আমি সবসময়ই খুব স্বাভাবিকভাবে কাজ করি। ওম আমার জুনিয়র হলেও খুব ভাল  কাজ করে। হ্যা- সিনিয়র হিসেবে প্রথম দিনেই আমি তার সাথে খুনসুটি করি। আমি তাকে বলি আর কাউকে গুড মর্নিং না বললেও প্রতিদিন আমাকে এসে বলতে হবে এবং তা পায়ে পড়ে । কারন আমি সিনিয়র ।আসলে আমার মুল লক্ষ্য ছিল ওম যাতে আমার সাথে সহজ হতে পারে ।এবং আমাদের পর্দা রসায়নটা দর্শক পছন্দ করে।

আমি রাজি শিরোনামের গানটিতো ব্যাপক সাড়া ফেলেছে বাংলাদেশ টালিপাড়ায়,এই গানের অভিজ্ঞতা?

শুভশ্রী: ঐ গানটি দৃশ্যায়নের সময় আমার পায়ে চোট লাগে। তারপরও আমি আমার শতভাগ দেয়ার চেষ্টা করেছি। শট দেয়ার পরপরই কোরিওগ্রাফারকে বলতাম আমার অসুস্থতা মুখে বোঝা যাচ্ছে নাতো । এখন  সবাই প্রশংসা করছে,খুবই আনন্দ লাগে। ৩৪ বার পোশাক বদলে গানটি শ্যুট করি। তবে মজার ব্যাপার হলো গানটিতে কোন কস্টিউম ডিজাইনার ছিল না। আমার হেয়ার স্টাইলিস্ট আর আমি মিলে সম্পূর্ন কস্টিউম সিলেক্ট করি।

কী মনে করছেন ,বাংলাদেশী হিরোইনদের মাঝে আপনার জনপ্রিয়তা কতটুকু বাড়বে?

শুভশ্রী: আমি প্রতিযোগীতায় বিশ্বাসী নই। মাহি,পরীমনি,ফারিয়া এরা সবাই খুব ভাল অভিনয় করে । তাদের সাথে আমি প্রতিযোগীতার কথা চিন্তা করিনা। কারন বাংলাদেশ তাদের জন্মস্থান। এখানকার লোকজন তাদের ভালবাসবে এটাই স্বাভাবিক। আমার ছবি তারা দেখে,আমাকে পছন্দ করে। এটাই একজন শিল্পী হিসেবে আমার বড় পাওয়া।

নিয়ে দ্বিতীয়বার যৌথ প্রযোজনা,কী মনে করেন ধরনের উদ্যোগ কতটা সফল হচ্ছে চলচ্চিত্রের জন্য?

বিনোদেনের জায়গাটা সবসময়ই নতুনত্বে পরিপূর্ন থাকা ভাল। আমি মনে করি এখন যৌথ প্রযোজনার ছবি মানুষ পছন্দ করছে। দুদেশের ফিল্মইন্ড্রাস্টির উন্নয়নে এটি ভুমিকা রাখবে।আর শুধু যৌথ ্রপযোজনা কেন,গল্প আর ভাল ছবি পেলে আমি বাংলাদেশী ছবি করতেও রাজি হব।

শুভশ্রী আপনাকে ধন্যবাদ।

শুভশ্রী: রডিও ধ্বনিকেও ধন্যবাদ। রেডিও ধ্বনির সকল শ্রোতাদেরকে আমার তরফ থেকে রইল শারদীয় শুভেচ্ছা।এবং দর্শকদের বলব,হলে গিয়ে প্রেম কী বুঝিনী দেখুন। বাংলা ছবিকে ভালবাসুন।

Comments are closed.

Web Design BangladeshWeb Design BangladeshMymensingh