মীর কাশেমের ফাঁসি কার্যকর

Comments are closed

একাত্তরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতের ধনকুবের নেতা ও একাত্তরের আলবদর কমান্ডার মীর কাসেম আলীর ফাঁসির দণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। রাত ৮টা ৪৮ মিনিটে অতিরিক্ত পুলিশ প্রহরায় তিনটি অ্যাম্বুল্যান্স কারাগারের ভেতরে প্রবেশ করে। ৯টা ৩৫ মিনিটে কারাগারে প্রবেশ করেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এস এম আলম ও সিভিল সার্জন ডা. আলী হায়দার। রাত সাড়ে ৯টার দিকে আসামির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে সেলে যান সিভিল সার্জন ডা. আলী হায়দার খান ও কারাগারের চিকিৎসক ।

তাঁরা দুজন বেরিয়ে গেলে ইমাম বেলাল উদ্দিন আবারও সেলে যান। তিনি রীতি অনুযায়ী আসামিকে তওবা পড়তে বলেন।  ইমাম বেলাল উদ্দিন তাঁকে তওবা পড়ান।

ফাঁসি কার্যকর করার মিনিট দশেক আগে সশস্ত্র কারারক্ষীসহ কনডেম সেলে যান জল্লাদরা।   রাত ১০টা ৩০ মিনিটে আসামীর ফসি কার্যকর করা হয়।

পরে সিভিল সার্জন জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক এস গণমাধ্যমকে ফাসি কার্যকরের সময় সম্পর্কে জানান।

কাশিমপুর কারাগারে এই প্রথম মানবতাবিরোধী কোনো অপরাধীর ফাঁসি কার্যকর করা হলো। ফাঁসি কার্যকর করার পর কারাগারে নানা আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়। রাতেই র‍্যাব ও পুলিশ প্রহরায় লাশ নিয়ে যাওয়া হয় মানিকগঞ্জে মীর কাসেম আলীর গ্রামের বাড়িতে।  সেখানেই মানবতাবিরোধী অপরাধী মীর কাশেম আলীর দাফন সম্পন্ন করা হয়।

 

 

Comments are closed.

Web Design BangladeshWeb Design BangladeshMymensingh