মীর কাশেমের ফাঁসি কার্যকরে সারাদেশে উল্লাস

Comments are closed

শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী নেতা মীর কাশেম আলীর ফাঁসির দন্ড কার্যকর হওয়ায় শুরু থেকেই স্বস্তি প্রকাশ করেছে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ ও রাজনৈতিক কর্মীরা। ফাঁসির রায় কার্যকরের সময় গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার এলাকায় ভীড় করে উৎসুক জনতা। অন্যদিকে রাজধানীতেও ছিল গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীদের সরব উপস্থিতি।

শনিবার বিকেলের পর থেকেই অনেকট নিশ্চিত হয় যে,  রাতেই কার্যকর হচ্ছে শীর্ষ আলবদর নেতা মীর কাশেম আলীর ফাঁসির দন্ড। গাজীপুরসহ রাজধানীতেও বাড়ানো হয়  নিরাপত্তা বেস্টনী।

এদিকে খবর পেয়ে বিকেল থেকেই কাশিমপুর কারাগার এলাকায় ভীড় করতে থাকেন বিপুল সংখ্যক উৎসুক জনতা।  ফাঁসি কার্যকরে খবরে অনেকটাই স্বস্তি প্রকাশ করেন তারা। বলেন, এই রায় কার্যকরের মধ্য দিয়ে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের রক্তের ঋণ কিছুটা হলেও শোধ হলো।

এদিকে, রায়কে কেন্দ্র করে রাজধানীর শাহবাগে জড়ো হন, গণজাগরন মঞ্চের কর্মীরা।  রাত সাড়ে ১০টায় রায় কার্যকরের খবর পেয়ে উল্লাসে ফেটে পড়ে তারা। বের করেন বিজয় মিছিল।

তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় গণজাগরন মঞ্চের একাংশের নেতা ইমরান এইচ সরকার বলেন, ধনকুবের এই যুদ্ধাপরাধীর বিচারের মধ্য দিয়ে কলঙ্কমুক্ত হলো বাংলাদেশ।

মীর কাশেম আলীর ফাঁসির দন্ড কার্যকরে স্বস্তি জানিয়েছে মুক্তিযোদ্ধাসহ সাধারণ মানুষও। রায় কার্যকরের পর এখন যুদ্ধাপরাধীদের সম্পদ বাজেয়াপ্তেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।

একাত্তরে তৃতীয় শীর্ষ আলবদর নেতা মীর কাশেম আলীর রায় কার্যকরে তার দল জামায়াতে ইসলামী বা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সরব কোন প্রতিক্রিয়া দেখা না গেলেও ফেসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন সোস্যাল মাধ্যমে এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন মীর কাশেমের অনুসারীরা।

Comments are closed.

Web Design BangladeshWeb Design BangladeshMymensingh