মুন্সীগঞ্জে প্রাকৃতিক উপায়েই গরু মোটাতাজাকরণ

Comments are closed

মঈদ উদ্দীন সুমন, মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি, রেডিও ধ্বনি।

মুন্সীগঞ্জে সদর উপজেলায় ঈদকে সামনে রেখে প্রাকৃতিক উপায়ে মোটাতাজা করা হচ্ছে কোরবানীর পশু। লাভজনক  হওয়ায় প্রতি বছর খামারের সংখ্যা বাড়ছে। যার, ফলে কর্মসংস্থান হয়েছে বহুমানুষের। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এখানকার পশু বিক্রি হয় দেশের বিভিন্ন হাটে।

 

মুন্সিগঞ্জে কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে গরু নিয়ে প্রস্তুত দুগ্ধপশুর খামারসহ মোসুমী কিছু খামারী। ওইসব খামারে দেশী ,ভারতীয় ও   শংকর জাতীয় গরু পালন করা হচ্ছে। আর ওইসব খামারের পশুকে খাওয়ানো হচ্ছে খড়, খৈল, ভুষি, গুড়ের চিটা, লবণ, চাল-ডালের ছুলা-গুড়াসহ চাষ করা ঘাস।  মানবদেহের জন্য ক্ষতিকারক  জাতীয় কোনো মেডিসিন এসব খামারে ব্যবহার করা হচ্ছে না। ফলে সর্ম্পূণ নিরাপদ মাংস পাওয়ার কোরবানীর পশু পাওয়া যাচ্ছে এসব খামারে।

 

আর মৌসুমের ৩/৪ মাস ওইসব খামারে পশু পালন করে ভালো লাভ হওয়ায় দিনে দিনে জেলায় খামারের সংখ্যা বাড়ছে বলেও দাবি করেছেন অনেক খামারি। অবশ্য কেউ কেউ বছরের শুরুতে পশু বিক্রি করে পরের মৌসুমের জন্য পশু পালন করা শুরু করে দেন বলেও জানান তারা। মুন্সীগঞ্জে  এখন পর্যন্ত মোট ১৬২টি খামার রয়েছে বলে জানান,  ভেটেরিনারি সার্জন মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।  খামারিদের তাঁর অধিপ্তরের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ওষুধ সরবরাহসহ পরামর্শ ও সেবা দেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

 

কোরবানির হাটে ওঠার আগেই অনেক গরু বিক্রি হয়ে যায় মুন্সিগঞ্জে। তবে হাটেও বিক্রি হয় অনেক পশু। এসব হাটের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন পশুখামারিরা।

 

 

Comments are closed.

Web Design BangladeshWeb Design BangladeshMymensingh