যৌথ প্রযোজনায় তামিল তেলেগুর রেপিল্কা নির্মানে যুক্তি দেখিনা-গিয়াসউদ্দীন সেলিম

Comments are closed

২০০৯ সালের অন্যতম জনপ্রিয় ও সুস্থধারার চলচ্চিত্র মনপুরা। এর মাধ্যমে ঢাকাই সিনেমায় পদার্পন নির্মাতা গিয়াসউদ্দীন সেলিমের। এরপর দীর্ঘ বিরতি। অবশেষে ফিরছেন নতুন চলচ্চিত্র স্বপ্নজাল নিয়ে। কঠোর বাস্তবতায় শুভ্রা নামে এক তরুনীর দেশান্তরিত হয়ে শিকড়ে ফেরার স্বপ্নই গল্পের মূল উপজীব্য। রেডিও ধ্বনির সাথে কথোপকথনে তুলে ধরেন ছবির বিভিন্ন বিষয়।

এসময় ছবির গল্পের প্রেক্ষাপট জানতে চাইলে তিনি বলেন- চাঁদপুর শহর এবং কোলকাতাকে ঘিরে ছবির গল্প আবর্তিত হয়েছে। যখন মোবাইল ফোন ছিলনা। চিঠিপত্রের মাধ্যমে প্রেমিক প্রেমিকারা যোগাযোগ করতো। যেখানে একটি ভালবাসার গল্পের সাথে সমাজ ও সংস্কৃতির যোগকে উপস্থাপন করা হয়েছে।

সপ্নজাল ছবিটি নির্মান হচ্ছে যৌথ প্রযোজনায়। এসময় যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ছবির গল্প নিয়ে যে বিতর্ক চলমান সে প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নির্মাতা জানান-যৌথ প্রযোজনার বিরোধী নন তিনি। বলেন -যৌথ প্রযোজনার ক্ষেত্রে আমি একটা বড় সম্ভাবনা  দেখি। এর মাধ্যমে দুই বাংলার বাজার আরও ব্যাপক হবে। ফলে আমাদের দেশের বাজারেও তার ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। কিন্তু যৌথ প্রযোজনার নামে হিন্দি বা তামিল ছবির রেপিল্কা করার কোন যৌক্তিকতা নেই। এই চিন্তাধারাটাকে বদলাতে হবে।

এসময় সপ্নজাল যৌথ প্রযোজনার হলেও ছবিতে দুই বাংলার কলাকুশলীদের কতটা যোক্তিক ব্যবহার করা হয়েছে এমন প্রশ্নের উত্তরে গিয়াসউদ্দীন সেলিম জানান- সপ্নজাল বাঙালীর গল্প। পূর্ব বাংলার গল্পের প্রয়োজনেই কিন্তু পশ্চিম বাংলা ,কোলকাতা আর ত্রিপুরা। নিয়মনীতির জায়গা ঠিক রেখে ছবিতে অভিনয়শিল্পী নির্বাচন করেছি। তাদের নিজস্ব দেশের ভাষাতেই অভিনয় করিয়েছি।

এদিকে আলোচিত এই ছবিটিতে অভিনয় করছেন হালের বানিজ্যিক ছবির নায়িকা পরীমনি ও নবাগত ইয়াশ রোহান। আরও অভিনয় করছেন ফজলুর রহমান বাবু, শহিদুল আলম সাচ্চু, মিশা সওদাগর, ফারহানা মিঠু ও ইরেশ যাকেরসহ আরও অনেকে। নির্মাতার মতে, নায়ক নায়িকা নয়, ছবির গল্প আর উপস্থাপনই হলে টানবে দর্শকদের।

পরিচালনার পাশাপাশি ছবির কাহিনী ও চিত্রনাট্য লিখেছেন গিয়াসউদ্দিন সেলিম নিজেই। আগামী অক্টোবরেই মুক্তি পেতে পারে ছবিটি।

Comments are closed.

Web Design BangladeshWeb Design BangladeshMymensingh