লবনাক্ততার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দাকোপের সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায়-পর্ব ০১

Comments are closed

কথায় বলে, পানিই জীবন, পানিই মরণ। যার উদাহরণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের শিকার দাকোপের সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকা। লবনাক্ততার প্রভাবে এখানকার মানুষদের হারাতে হয়েছে বিশুদ্ধ পানির সকল উৎস, তেমনি নষ্ট হয়েছে জীবিকা নির্বাহের ফসলের ক্ষেত। আর, ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষত-বিক্ষত এসব এলাকায় নেই ন্যূনতম অবকাঠামো কিংবা আবাসন সুবিধা।

দাকোপের উপকূলবর্তী গ্রামগুলোতে পৌঁছাতে বাস্তবেই পার হতে হয় রেূপসা-ঝপঝপিয়া, শিপসা, ভদ্রাসহ কম করে ৫টি নদী। যেখানে, প্রায় ৪০ কিলোমিটার পথই পাড়ি দিতে হবে জলপথে। কিন্তু বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে জলরাশির এই চিত্র যতটা রোমাঞ্চকর, ততটাই মানবেতর দাকোপের সুতারখালি ও কামারখোলা ইউনিয়নের মানুষের জীবন।

তবে গ্রামেরকথা হচ্ছিল, আশিতিপর কয়েকজন বৃদ্ধের সঙ্গে। যারা বলছে, উপকূলের এ এলাকাটি ছিল দেশের ৮-১০টা গ্রামের মতোই; মাঠভরা শষ্য, আর ঘরভরা ফসলে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে ধারণা নেই এসব উপকূলবাসীর। তবে, তারা ঠিকই বুঝতে পারেন, প্রতিনিয়ত ফুরিয়ে যাচ্ছে স্বাদু পানি। লবনাক্ত হচ্ছে আবাদি জমি। আর, কমছে, ফলন।

লবনাক্ততা প্রতিরোধ করে স্থানীয় কৃষি রক্ষায়, ১৯৬০ এর দশকে পোল্ডার ধারণা নিয়ে চারপাশ দিয়ে বাঁধ দেওয়া হয় এসব এলাকায়। কিন্তু গেল ৬ দশকে উপকূলীয় অঞ্চলের লবনাক্ততা ৪৫ ভাগ বাড়লেও এসব অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কোন গবেষণা কিংবা কার্যকর কোন পদক্ষেপ নেয় নি সরকার।

 

Comments are closed.

Web Design BangladeshWeb Design BangladeshMymensingh