লবনাক্ততায় ভিটেমাটি ছাড়ছেন উপকূলবর্তী মানুষ

Comments are closed

লবনাক্ততার কারণে, আবাদি জমি ফসল চাষের অনুপযোগী হয়ে পড়ায়-জীবিকার তাগিদে বসতভিটা ছাড়ছেন খুলনার দাকোপ উপজেলার মানুষ। কৃষি, মৎস্য ও বনজীবী এসব মানুষ এক সময় আর্থিকভাবে স্বয়ং সম্পূর্ণ হলেও বর্তমানে তাদের ঠিকানা খুলনা শহরের বিভিন্ন বস্তিতে।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে যে হারে, সে হিসেবে ২০৫০ সাল নাগাদ তলিয়ে যেতে পারে দেশের ১৩ ভাগ এলাকা। এতে, বাস্তুচ্যুত হবে আড়াই কোটির বেশি মানুষ। ভয়ানক এই তথ্য উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টার গভর্মেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ আইপিসিসির প্রতিবেদনে। এরই মধ্যে, তার প্রমাণ মিলছে দেশের সবচেয়ে দক্ষিণের উপজেলা দাকোপের ইউনিয়নগুলোতে।

কখনও নদী কেড়ে নিয়েছে ভিটেমাটি, কোথাও আবার মাত্রাতিক্ত লবনাক্ততায় ফসল হয় না জমিতে। জীবন-জীবিকার এমন অনিশ্চিয়তা তাদের বাধ্য করেছে এলাকা ছাড়তে। দাকোপের এমন বহু মানুষ, এখন আশ্রয় নিয়েছেন শহর বা শহরতলির বিভিন্ন বস্তিতে। বস্তিশুমারী অনুযায়ী, দেশের মোট ২২ লাখ ৩২ হাজার ১১৪ বস্তিবাসীর মধ্যে খুলনায় বস্তিগুলোতে বাস করেন ১ লাখ ৭২ হাজার ২১৯ জন। প্রতিনিয়ত বাড়ছে সে সংখ্যা।

মৃত্তিকা সম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের হিসেবে,গেল দশকে খুলনা জেলায় লবনাক্ত জমির পরিমাণ বেড়েছে ৫৩ শতাংশ। আর দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার যেখানে ১.৪৭ শতাংশ, সেখানে খুলনা অঞ্চলের হার মাইনাস .২৫ শতাংশ।

Comments are closed.

Web Design BangladeshWeb Design BangladeshMymensingh