সমবেদনা ছাড়া আর কিছুই ঝোটেনি হতাহতদের কপালে

Comments are closed

এ হামলায় শুধু মাদারীপুরেরই ৩ জন নিহতসহ আহত হয়েছেন, আরও ৪ জন। কেমন দিন কাটাচ্ছেন নিহতদের স্বজনরা। আর কেমনই আছেন, স্প্রিন্টারের আঘাতে আহতরা। যদিও, ভুক্তভোগিদের দাবি, সমবেদনা ছাড়া আর কিছুই ঝোটেনি তাদের কপালে।

এভাবেই নিজের আক্ষেপ প্রকাশ করলেন, মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার, আছিয়া বেগম। যিনি, ২১ আগস্টের এ হামলায় হারান, নিজের একমাত্র ছেলে লিটন মুন্সীকে। শুধু যুবলীগ নেতা লিটনই নয়, নিহত হোন, মোস্তাক আহাম্মেদ,সুফিয়া বেগম ও স্থানীয় শ্রমিক লীগ নেতা নাসির উদ্দিন। নিহতদের পরিবারের পাশিাপাশি হতাহতদের অভিযোগ, তখন বিরোধি দল থাকলেও ক্ষমতায় এসে পর্যপ্ত সহোযোগিতার হাত বাড়ায়নি, বর্তমান সরকার।

যদিও, স্থানীয় জেলা প্রশাসক কামালউদ্দিন বিশ্বাসজানান, হতাহতদের সহযোগিতায় এরই মধ্যে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।আহতদেরঅনেকেএখনোশরীরেবিদ্ধস্প্রিন্টারনিয়েযন্ত্রনাকাতরজীবনকাটাচ্ছেন।১১ বছর পারও,বিচার কার্যক্রম শেষ না হওয়ায়, আক্ষেপ রয়েছ অনেকের।তাদের দাবি, দ্রুত জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করা হোক।

মূহুমূহু ১৩ টি গ্রেনেড হামলায় মাদারীপুর ছাড়াও, কুষ্টিয়া, পটুয়াখালীসহ সারা দেশে থেকে আশা ২৪ জন নিহত হোন। যাদের মধ্যে ছিলেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রিয় কয়েকজন নেতাও।

Comments are closed.

Web Design BangladeshWeb Design BangladeshMymensingh